ভাইরাল ক্ষোভ এবং যুব সমাজের রাগের মাধ্যমে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র দ্রুত উত্থান ঘটানো হয়েছে তিনজন ভিন্নধর্মী মানুষের দ্বারা। তাদের দক্ষতা এবং রাজনৈতিক ইতিহাস একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন অভিযানকে জাতীয় প্রতিবাদে রূপান্তরিত করেছে, যা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পতন ঘটিয়েছে।
একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন কীভাবে জাতীয় প্রতিবাদে পরিণত হয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কারণ হয়ে উঠল, তার মূলে রয়েছে অভীজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। ভারতের প্রধান বিচারপতি সুর্য কান্ত বেকার যুবকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়তাকে 'তেলাপোকা'র সাথে তুলনা করার পর, অভীজিৎ দীপকে বোস্টনে বসে একটি ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম চালু করেন, যা দ্রুত লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।
এই আন্দোলনের পেছনে ছিল তিনজনের ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্ব। অভীজিৎ দীপকে ছিলেন আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র, যিনি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত বিচক্ষণ। আশুতোষ রাঙ্কা ছিলেন আন্দোলনের প্রধান কৌশলবিদ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। অন্যদিকে, সৌরভ দাস ছিলেন তার যোগাযোগ দক্ষতা এবং অমায়িক আচরণের জন্য পরিচিত। এই তিনজনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দক্ষতা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করেছে।
এই তিনজনের মধ্যেই আম আদমি পার্টির (AAP) সাথে একটি সাধারণ যোগসূত্র রয়েছে। দীপকে এবং রাঙ্কা উভয়ই এই দলের সাথে কাজ করেছেন, এবং সৌরভ দাসের অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সাথে ঘনিষ্ঠতাও অনস্বীকার্য। তাদের এই সমন্বিত প্রচেষ্টাই একটি অনলাইন মিম বা ব্যঙ্গাত্মক বিষয়কে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপান্তর করেছে।