তুরস্কের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আহমেদ দাভুতোগলু তার 'ফিউচার পার্টি' বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়ে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি একসময় এরদোয়ানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচক হয়ে ওঠেন।

আহমেদ দাভুতোগলু একসময় তুরস্কের অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তিনি দেশটির উচ্চাভিলাষী পররাষ্ট্রনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান তাকে শাসক দল এ কে পার্টির নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

তবে পরবর্তীতে তিনি নিজেই সেই রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচক হয়ে ওঠেন যা তিনি তৈরি করতে সাহায্য করেছিলেন। সম্প্রতি তিনি তার বিরোধী দল 'ফিউচার পার্টি'র কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং তুরস্কের 'দূষিত রাজনৈতিক পরিবেশ' থেকে নিজেকে দূরে রাখার জন্য রাজনীতি ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার এই বিদায় একটি বিতর্কিত উত্তরাধিকার রেখে যাচ্ছে—একজন বুদ্ধিজীবী যিনি তুরস্কের কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছিলেন, কিন্তু তার আদর্শকে একটি স্বাধীন রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছেন।