RTI‑এর মাধ্যমে প্রকাশিত প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছেন তিনি কীভাবে বৃত্তি ও ঋণ থেকে পড়াশোনার খরচ মেটিয়েছেন। তিনি দাবি করেন যে তার শিক্ষা সম্পূর্ণভাবে আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল।
অভিজিৎ দিপকে, যিনি সাম্প্রতিক সময়ে RTI‑এর দাবি নিয়ে আলোচনায় ছিলেন, জানিয়েছেন যে তার বিদেশে পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সম্পূর্ণ বৃত্তি এবং শিক্ষণঋণ থেকে এসেছে। তিনি প্রমাণস্বরূপ দস্তাবেজও উপস্থাপন করেছেন, যা তার আর্থিক সহায়তার স্বচ্ছতা দেখায়।
দিপকে আরও উল্লেখ করেন, তার পিতার সম্পত্তি সম্পর্কে প্রশ্ন তুললেও তিনি জোর দেন যে শিক্ষার খরচের কোনো গোপন সূত্র নেই। এই ব্যাখ্যা তাকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সমালোচনার থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে।