পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক প্রতিবাদ ও বয়কটের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। ভোটদানে ধোকার অভিযোগ ও নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বহু লোক ভোট ছেড়েছেন, যা ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটিং শেষ হওয়ার পর কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবাদ শিবির গড়ে উঠেছে, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচনী ধোঁকাবাজি এবং নিরাপত্তা হুমকি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের গোষ্ঠী ভোটে অংশ না নিয়ে বয়কটের আহ্বান জানিয়েছে, যা নির্বাচনের বৈধতাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।

অভিযুক্ত ধোঁকাবাজি মামলাগুলোর মধ্যে ভোটার তালিকায় গোপনীয়তা লঙ্ঘন, গোপন ভোটের ব্যবহার এবং প্রান্তিক এলাকায় ভয় দেখিয়ে ভোটারকে দূরে রাখা অন্তর্ভুক্ত। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সতর্ক করেছে যে, স্বচ্ছ ও ন্যায্য নির্বাচন না হলে অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে।