দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশে জেনারেশন জেড রাজনৈতিক সক্রিয়তা বাড়িয়ে তুলেছে, তবে পাকিস্তানে সামরিক শাসনের প্রভাবের কারণে তরুণদের আন্দোলন দমিয়ে রাখা হয়েছে। দেশের শীর্ষ কর্মকর্তার সাম্প্রতিক ঘোষণায় শাসন ব্যবস্থা ভেঙে নতুন রূপ প্রয়োজন বলে দাবি করা হয়েছে, যা সামরিক প্রতিষ্ঠানের গভীর হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দেয়।

দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা সহ বহু দেশে শিক্ষার্থী ও তরুণরা অপ্রত্যাশিতভাবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের চালক হয়ে উঠেছে। ভারতেও জেনারেশন জেডের বাড়তে থাকা স্বাবলম্বিতা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে। তবে পাকিস্তানের ক্ষেত্রে একই ডেমোগ্রাফিক সম্ভাবনা সত্ত্বেও, সামরিক শাসনের শক্তি ও ব্যাপক নিয়ন্ত্রণের ফলে জনমত আন্দোলনকে বাধা দেওয়া হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মোহসিন নাকভির সাম্প্রতিক ঘোষণায় পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থা ‘ভেঙে’ পুনর্গঠন প্রয়োজন বলে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, যা কেবল সামরিক হস্তক্ষেপ নয়, রাষ্ট্রের কাঠামোই পুনর্লিখনের ইঙ্গিত দেয়। যদিও সামরিক নেতৃত্বের পরিকল্পনা প্রদেশকে ছোট ইউনিটে ভাগ করা এবং কেন্দ্রের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর দিকে ইঙ্গিত করে, তবে বিশাল নাগরিক ও রাজনৈতিক ঐক্যের অভাব, বিশেষ করে জেন জেডের সমন্বিত প্রতিবাদ না থাকা, এই পরিবর্তনের সম্ভাবনা সীমিত করে রাখে।