চ্যান্নাইতে ৩ আগস্ট একটি সমাবেশে প্রধান বিরোধী উদয়ানিধি স্টালন জনতা যখন অভিনেতার নাম চিৎকার করে, তখন তিনি পানির বিষয়ে দ্বৈত অর্থবোধক মন্তব্য করেন। মন্তব্যটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠী থেকে নিন্দা ও ক্ষমা চাওয়ার দাবি উত্থাপন করে।
১৯ আগস্ট ২০২৬-এ থানজাভুরে কৌরবেরি বিতর্কের ওপর একটি প্রতিবাদ সমাবেশে, বিরোধী নেতা উদয়ানিধি স্টালন জনতার চিৎকারে উল্লেখিত অভিনেতার নামের প্রতি উত্তর হিসেবে দ্বৈত অর্থবোধক মন্তব্য করেন, যেখানে তিনি পানির উল্লেখ করেন। তার মন্তব্যটি অবিলম্বে শোশালীনতা ও অশ্লীলতার অভিযোগে তীব্র সমালোচনা পায়।
ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রের নাগরিক, নারী সংগঠন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা স্টালনের আচরণকে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও নারীকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের বাইরে বসিয়ে অবমাননা করা হিসেবে চিহ্নিত করেন। নারীদের প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে, জাতীয় নারী কমিশনের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং স্টালনকে দায়িত্বশীল আচরণ ও ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার পর্যালোচনা দেখায় যে, শালীনতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে উপেক্ষা করে করা মন্তব্য কেবলমাত্র ব্যক্তিগত দুর্নীতির সমস্যা নয়, বরং রাজনৈতিক বাকবিনিময়ে লিঙ্গভিত্তিক পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পুনর্ব্যবহারও হয়ে দাঁড়ায়। স্টালনের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করা হবে তিনি কতটা স্বীকারোক্তি ও সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেন তার ওপর।