প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক কৌশল উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে দাবি করছে বিজেপি। বাঙ্কিপুরের পরাজয়ের প্রভাব এবং ব্রাহ্মণ ভোট ব্যাংকের পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক জল্পনা চলছে।
প্রশান্ত কিশোরের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কৌশল উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে বাঙ্কিপুরে তাঁর প্রভাব এবং ব্রাহ্মণ ভোট ব্যাংকের সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে বিজেপি চিন্তিত। বিজেপি দাবি করছে যে, প্রশান্ত কিশোরের কৌশলের সামনে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লড়াই করতে ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব দাবি করেছেন যে, বিজেপি পরিকল্পিতভাবেই উপনির্বাচনে হেরেছে। বিজেপির অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা বৈঠকে দেখা গেছে যে, ৫০টিরও বেশি বিধায়ক মাঠের লড়াইয়ে সক্রিয় ছিলেন না। নিট আন্দোলন এবং রেশন কার্ডের মতো ইস্যুগুলোও বিজেপির পরাজয়ের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।