নাইজেল ফারাজ বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছেন। ক্ল্যাকটনের উপনির্বাচন এবং দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল তার ক্ষমতার ভিত কাঁপিয়ে দিচ্ছে।
নাইজেল ফারাজ বর্তমানে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন। ক্ল্যাকটনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে প্রধান দলগুলোর অনীহা তাকে কিছুটা সুবিধা দিলেও, তার ব্যক্তিগত এবং দলীয় অর্থ সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি তাকে অস্বস্তিতে ফেলছে। তিনি নিজেকে 'জনগণের প্রতিনিধি' হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে জবাবদিহিতা এড়ানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।
রিফর্ম ইউকে এখন কেবল ফারাজের একক নেতৃত্বের ওপর নির্ভরশীল নয়। ডানপন্থী রাজনীতির আরও চরমপন্থী ধারা এবং রুপার্ট লো-এর মতো নেতাদের উত্থান ফারাজের রাজনৈতিক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। অভিবাসন ইস্যুতে রাজনীতির ভাষা আরও উগ্র হয়ে উঠছে, যা ফারাজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।