স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও প্রাক্তন সামরিক ঘাঁটিতে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন দেওয়ার পরিকল্পনা অব্যাহত রেখেছে ব্রিটিশ সরকার। হোম অফিস মন্ত্রী আন্না টারলি জানিয়েছেন, হোটেল ব্যবহারের পরিবর্তে নিরাপদ ও উপযুক্ত স্থানে তাদের রাখা সরকারের অগ্রাধিকার।
অক্সফোর্ডশায়ারের পিডিংটন সংলগ্ন একটি প্রাক্তন সামরিক সাইটকে আশ্রয়প্রার্থীদের কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। হোম অফিস মন্ত্রী আন্না টারলি বিবিসিকে জানিয়েছেন যে, সরকার প্রাক্তন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। তাঁর মতে, এই স্থানগুলিতে নিজস্ব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এবং এগুলো অধিকতর নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ।
পিডিংটনের বাসিন্দারা প্রায় ১,০০০-এর বেশি আশ্রয়প্রার্থীকে সেখানে রাখার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয় কাউন্সিল সদস্যদের মতে, সীমিত অবকাঠামোর কারণে এই ছোট জনপদগুলি বিপুল জনসংখ্যার চাপ সামলাতে পারবে না। এমনকি পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়েছে যে, পিডিংটন গ্রামটি একটি প্রতীকী স্বাধীনতা গণভোটের ডাক দিয়েছে, যেখানে বাসিন্দারা জিজ্ঞেস করছেন তারা যুক্তরাজ্যের অংশ থাকতে চান কি না।
সরকার হোটেল ব্যবহার বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের ১৩টি হোটেল বন্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে এসেক্সের RAF ওয়েদার্সফিল্ড এবং ইস্ট সাসেক্সের ক্রোবোরো ট্রেনিং ক্যাম্পের মতো সামরিক ঘাঁটিগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকার শিল্প এলাকা বা ছাত্র আবাসন ব্যবহারের কথাও বিবেচনা করছে যাতে স্থানীয় সম্প্রদায়ের ওপর প্রভাব সীমিত রাখা যায়।