হলদ্বানির সাম্প্রতিক ঘটনাটি ভারতের দীর্ঘস্থায়ী জাতিভেদ প্রথা এবং সামাজিক বৈষম্যের একটি করুণ চিত্র তুলে ধরেছে। লেখক বাবু জগজীবন রামের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, উচ্চপদে থাকা সত্ত্বেও দলিত নেতাদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আক্রমণ আজও অব্যাহত রয়েছে।

হলদ্বানির সাম্প্রতিক ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, যতক্ষণ না ব্যবস্থাটি نفسها পরিবর্তিত হচ্ছে, ততক্ষণ জাতিভেদ প্রথা বিলুপ্ত হবে না। এটি একটি ভাইরাসের মতো বারবার ফিরে আসে—স্কুল, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে অফিস বা মন্দির পর্যন্ত। ২০২৬ সালেও ভারতে জাতিভেদ প্রথা একটি অবমাননাকর সামাজিক সমস্যা হিসেবে টিকে আছে।

লেখক তাঁর দাদু, প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী বাবু জগজীবন রামের ১৯৭৮ সালের একটি ঘটনার কথা স্মরণ করেছেন। বেনারসে একটি মূর্তি উদ্বোধন করতে গিয়ে জগজীবন রামকে জাতিবাদী insults বা গালিগালাজ সহ্য করতে হয়েছিল এবং অনুষ্ঠান শেষে সেই মূর্তিকে গোবর দিয়ে লেপন করা হয়েছিল। সেই সময় তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, তাঁর মতো উচ্চপদে থাকা ব্যক্তির সাথে যদি এমন ঘটে, তবে সাধারণ দলিত মানুষের অবস্থা কী?

বর্তমানে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের উপস্থিতিতে হলদ্বানিতে যা ঘটেছে, তা সেই একই মানসিকতার প্রতিফলন। সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অন্তর্ভুক্তির দাবি তোলা তরুণ প্রজন্মকে দমন করার জন্য আজও প্রথাগত শক্তিগুলো নানা কৌশল অবলম্বন করছে। জাতিভেদ প্রথা দূর না করা পর্যন্ত প্রকৃত সামাজিক মুক্তি সম্ভব নয়।