বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি CRISPR প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুরুষ ইঁদুরের ভ্রূণকে স্ত্রী ইঁদুরে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছেন। ক্লোনিং প্রযুক্তি একদিকে যেমন বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের রক্ষা করতে পারে, অন্যদিকে এটি মানুষের অঙ্গ সংগ্রহের মতো বিতর্কিত ও ভীতিজনক দিকেও মোড় নিতে পারে।
বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি CRISPR প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি যুগান্তকারী পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যার মাধ্যমে পুরুষ ইঁদুরের ভ্রূণ থেকে Y ক্রোমোজোম সরিয়ে সেটিকে স্ত্রী ইঁদুরে রূপান্তরিত করা সম্ভব। এটি মূলত পুরুষ ইঁদুরের একটি জেনেটিক অনুলিপি বা ক্লোন তৈরি করতে সাহায্য করে। গবেষকরা আশা করছেন যে এই প্রযুক্তি বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
ক্লোনিংয়ের ইতিহাস ডলি নামক ভেড়ার থেকে শুরু হয়েছিল, যা ছিল প্রাপ্তবয়স্ক কোষ থেকে তৈরি প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী। বর্তমানে এই প্রযুক্তি গবাদি পশুর উন্নত জাত তৈরি এবং এমনকি মৃত পোষা প্রাণীদের ক্লোন করার কাজেও ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে প্রাণীদের ব্যবহার এবং surrogacy বা বিকল্প গর্ভধারণ নিয়ে অনেক নৈতিক বিতর্ক রয়েছে।
সবচেয়ে ভীতিজনক দিকটি হলো মানুষের ক্লোনিংয়ের সম্ভাবনা। যদিও এটি এখনও করা হয়নি, তবে কিছু স্টার্টআপ 'মস্তিষ্কহীন ক্লোন' তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে, যা শুধুমাত্র মানুষের অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হবে। এই প্রযুক্তি একদিকে যেমন বিস্ময়কর, অন্যদিকে এটি মানবজাতির জন্য নৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে।