সিএসআইআর-সিসিএমবি হায়দ্রাবাদ এবং নেচার কনজারভেশন ফাউন্ডেশন মহীশূরের গবেষকরা এশীয় হর্নবিল প্রজাতির জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছেন। এই গবেষণাটি এই পাখিদের বিবর্তন এবং জনসংখ্যা পরিবর্তনের ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করবে।
এশিয়ার বনজ বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং 'বনের কৃষক' হিসেবে পরিচিত হর্নবিল পাখিদের সুরক্ষায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। হায়দ্রাবাদের CCMB এবং মহীশূরের NCF-এর গবেষকরা চারটি ভিন্ন প্রজাতির হর্নবিলের সম্পূর্ণ জিনোম ডিকোড করেছেন। এই গবেষণার মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এই পাখিদের বিবর্তন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাদের জনসংখ্যার ওপর কী প্রভাব পড়েছে, তা জানা সম্ভব হয়েছে।
গবেষকরা গ্রেট হর্নবিল, রেদ হর্নবিল এবং রফাস-নেকড হর্নবিলের মতো প্রজাতির জেনেটিক গঠন বিশ্লেষণ করেছেন, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রজাতি ইতিমধ্যে বিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্লেইস্টোসিন যুগে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এই পাখিদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছিল। তবে রেদ হর্নবিল তার পরিযায়ী স্বভাবের কারণে অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় বেশি স্থিতিশীল থাকতে পেরেছে।
এই জেনেটিক তথ্যগুলি ভবিষ্যতে হর্নবিল সংরক্ষণের কৌশল নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যেহেতু এই পাখিরা বীজ বিস্তারের মাধ্যমে বন পুনরুত্থানে সাহায্য করে, তাই তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।