বিশ্বখ্যাত কনকাশন বা মস্তিষ্কের আঘাত সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ পল ম্যাকক্রোরি খেলার মাঠে বারবার মাথায় আঘাত পাওয়ার সাথে ক্রনিক ট্রমাটিক এনসেফালোপ্যাথি (সিটিই) বা মস্তিষ্কের স্নায়ু ক্ষয়জনিত রোগের যোগসূত্রকে বছরের পর বছর ধরে খাটো করে দেখিয়েছেন। ২০২২ সালে চৌর্যবৃত্তির (প্লেজিয়ারিজম) অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে তিনি পদত্যাগ করার পর ক্রীড়া জগতের কনকাশন নীতি নির্ধারণে তার প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা সামনে আসে।
খেলাধুলায় বারবার মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে সৃষ্ট মারাত্মক রোগ ক্রনিক ট্রমাটিক এনসেফালোপ্যাথি (সিটিই) নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিলি গায়টন, শেন ক্রিস্টি এবং নিক লোডেনের মতো তরুণ রাগবি ও এনএফএল খেলোয়াড়দের আত্মহত্যার পর মরণোত্তর পরীক্ষায় তাদের মস্তিষ্কে সিটিই-র উপস্থিতি ধরা পড়েছে। তা সত্ত্বেও, কনকাশন ইন স্পোর্ট গ্রুপ (সিআইএসজি)-এর সাবেক প্রধান এবং শীর্ষস্থানীয় কনকাশন বিশেষজ্ঞ পল ম্যাকক্রোরি দীর্ঘদিন ধরে এই মরণঘাতী ঝুঁকির বিষয়টিকে অবহেলা ও উপহাস করে এসেছেন, যা বিশ্ব ক্রীড়া সংস্থাগুলোর খেলোয়াড় সুরক্ষা নীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
ম্যাকক্রোরি বোস্টন ইউনিভার্সিটির সিটিই সেন্টারের গবেষণার তথ্য বিকৃত করে উপস্থাপন করেছিলেন এবং মাথায় আঘাতের ঝুঁকিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'অতিরঞ্জিত হুলুস্থুল' বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ২০২২ সালে একাধিক চৌর্যবৃত্তির (প্লেজিয়ারিজম) অভিযোগ ওঠার পর তিনি সিআইএসজি-র প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর ফলে ফিফা, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি এবং ওয়ার্ল্ড রাগবি সহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার কনকাশন নীতি তৈরিতে তার বিতর্কিত প্রভাব নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে।