প্রি-সিজন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো প্রথাগত ৯০ মিনিটের পরিবর্তে ৪৫ বা ৬০ মিনিটের অদ্ভুত ফরম্যাটে প্রীতি ম্যাচ খেলছে। এই কৌশলের পেছনে খেলোয়াড়দের স্ট্যামিনা এবং ফিটনেস বৃদ্ধির একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে।

ফুটবল খেলায় প্রায় ১৫০ বছর ধরে ৯০ মিনিটের নিয়ম প্রচলিত থাকলেও, এই প্রি-সিজনে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো ভিন্ন কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করছে। লিভারপুল দুটি ম্যাচে মোট ১৬০ মিনিট খেলার পরিকল্পনা করেছে, আবার লিডস ইউনাইটেড ও আরবি লাইপজিগ ১২০ মিনিটের একটি ম্যাচ খেলেছে যা দুটি ৬০ মিনিটের ভাগে বিভক্ত ছিল। এমনকি নটিংহাম ফরেস্টের মতো ক্লাবগুলো এমন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে যেখানে ম্যাচগুলো মাত্র ৪৫ মিনিটের ছিল।

এই অস্বাভাবিক ফরম্যাটের পেছনে মূল কারণ হলো খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা এবং স্ট্যামিনা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা। প্রি-সিজনের শুরুতে খেলোয়াড়দের সরাসরি ৯০ মিনিটের উচ্চ-তীব্রতার ম্যাচ খেলানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। স্পোর্টস সায়েন্টিস্টদের মতে, প্রথমে কম সময়ের (যেমন ৪৫ মিনিট) ম্যাচ খেলে খেলোয়াড়দের দৌড়ানোর দূরত্ব এবং তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা ধীরে ধীরে সপ্তাহ বাড়ার সাথে সাথে ৯০ মিনিটে উন্নীত করা হয়।

এই পদ্ধতিতে ক্লাবগুলো নিশ্চিত করে যে দলের প্রতিটি খেলোয়াড়, এমনকি যারা নিয়মিত শুরুর একাদশে থাকবেন না, তারাও প্রয়োজনীয় শারীরিক পরিশ্রম ও ম্যাচ কন্ডিশন পেতে পারেন। এটি খেলোয়াড়দের মনোবল বজায় রাখতে এবং মৌসুম শুরুর আগে তাদের শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।