দাসরথা কাইকেয়িকে ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি দৃষ্টান্ত দেখিয়ে দেন, যেখানে মেশিন কিভাবে ছবি, শব্দ ও ভঙ্গি শনাক্ত করে শিখতে পারে। এই সংলাপটি প্রাচীন রাজকীয় পরিবেশে আধুনিক AI ধারণা তুলে ধরে।
সোনালী রথটি গাছের ছায়ায় চলতে চলতে, দাসরথা তাঁর হাতে একটি প্যাটার্ন আকারে মেশিন লার্নিংয়ের ধারণা ব্যাখ্যা করেন। তিনি কাইকেয়িকে হাত ধরিয়ে একটি আলোয় ভরা কক্ষ দেখান, যেখানে একটি স্বচ্ছ স্ক্রিনে বিভিন্ন বিভাগে ‘টিগার’ এবং ‘হরিণ’ ক্লাসের ছবি দ্রুত প্রবাহিত হয়। মেশিনটি রঙের ডটগুলোকে গাণিতিক প্যাটার্ন হিসেবে দেখে, এবং প্রশিক্ষণ ক্লিক করার পর ৯৯% নির্ভুলতায় টিগার শনাক্ত করে।
এরপর দাসরথা শ্বেত-ধূসর রেখা দিয়ে শব্দের তরঙ্গ ও ভঙ্গি স্বীকৃতির উদাহরণ দেন। তিনি বনের আওয়াজ, শিকারের ধ্বনি, এবং তীর তোলা ও বীজ রোপণের ভঙ্গি মেশিনে ইনপুট করে দেখান যে, মেশিনটি কেবল জীবন্ত না থেকেও ডেটা থেকে শিখে নিরাপত্তা নির্ণয় করতে পারে। শেষমেশ তিনি জোর দিয়ে বলেন, মেশিনের জ্ঞান কেবল আমাদের দেয়া ডেটার ওপর নির্ভরশীল।