দিল্লি হাই কোর্টের আদেশ ভারতের প্রথম ব্যাপক পদক্ষেপ, যেখানে কপিরাইট আইনের অধীনে এআই প্রশিক্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে এএনআইর নিবন্ধগুলোকে চ্যাটজিপিটি প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা সেকশন ৫২ অনুযায়ী বেসরকারি ব্যবহার এবং গবেষণার মধ্যে পড়ে।
এশীয় নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) নভেম্বর ২০২৪‑এ ওপেনএআই-কে তার কন্টেন্ট অনুমতি বা পেমেন্ট ছাড়া চ্যাটজিপিটি প্রশিক্ষণে ব্যবহার করার জন্য মামলা দায়ের করে। এআই মডেলটি ভুলভাবে এএনআইর উক্তি ও রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে, ফলে এএনআই রুবি ২ কোটি ক্ষতিপূরণ এবং ব্যবহার নিষেধাজ্ঞার দাবি করে।
২৪ জুলাই ২০২৬-এ বিচারপতি অমিত বংশাল রায় দেন যে, এএনআইর নিবন্ধগুলোকে চ্যাটজিপিটি প্রশিক্ষণে সংরক্ষণ করা কপিরাইট আইন ধারা ৫২‑এর অধীনে ব্যক্তিগত ব্যবহার এবং গবেষণার সুবিধা পায়, কারণ এএনআই প্রমাণ করতে পারেনি যে চ্যাটজিপিটি সরাসরি তার কন্টেন্ট পুনরুৎপাদন করেছে। এই ১৩৫ পৃষ্ঠার অস্থায়ী আদেশটি ভারতীয় আদালতে এআই প্রশিক্ষণকে কপিরাইট আইনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রথম বিশদ প্রচেষ্টা।