একটি জননীতি বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাপী সাইবার অপরাধ আইনের একটি মানচিত্র তৈরি করেছেন যাতে নৈতিক হ্যাকার এবং নিরাপত্তা গবেষকদের আইনি সুরক্ষা প্রদান করা যায়।
সতর্কতামূলক নিরাপত্তা গবেষণা যারা করেন, তারা অনেক ক্ষেত্রে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের ১৯৯০ সালের একটি পুরনো সাইবার অপরাধ আইন অনুযায়ী, ক্ষতিকারক হ্যাকার এবং জনস্বার্থে কাজ করা গবেষকদের মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয় না। ফলে, ত্রুটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করা গবেষকরাও কারাদণ্ড বা জরিমানার সম্মুখীন হতে পারেন।
এনসিসি গ্রুপের ডিরেক্টর ক্যাথরিনা সোমার জানিয়েছেন যে, বিশ্বে ১৫৪টি দেশে সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত আইন থাকলেও মাত্র ১০ শতাংশের মতো দেশে গবেষকদের জন্য আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি একটি 'CICIC' ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তাব করেছেন যা নৈতিক হ্যাকিং এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা—উভয়কেই রক্ষা করতে পারে।
পর্তুগাল এবং লাতিন আমেরিকার কিছু দেশ ইতিমধ্যে এই ধরনের আইনি সুরক্ষা চালু করেছে। সোমার এখন এই গবেষণার ভিত্তিতে ব্রিটিশ সরকারকে তাদের পুরনো 'কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট' সংস্কার করার জন্য জোরালো আহ্বান জানাচ্ছেন, যাতে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়।