জার্মান ডিজিটাল অধিকার গোষ্ঠী HateAid মেটা এবং অন্যান্য চশমা বিক্রেতা কোম্পানির বিরুদ্ধে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করেছে। তাদের দাবি, এই এআই চশমাগুলো মানুষের অজান্তে ভিডিও করার মাধ্যমে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বিপন্ন করছে।
জার্মানির একটি অ্যাডভোকেসি গ্রুপ মেটা এবং তাদের এআই চশমা (বিশেষ করে রে-ব্যান মেটা ওয়েফেয়ারার) বিক্রেতা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছে। ডিজিটাল অধিকার গোষ্ঠী HateAid জানিয়েছে যে, এই ডিভাইসগুলো জার্মান ডিজিটাল গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করছে।
HateAid-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর জোসেফাইন বল্লন বলেন, স্মার্ট চশমার হাত থেকে বাঁচার কোনো জায়গা নেই এবং যেকোনো মুহূর্তে কেউ ভিডিও করে ইন্টারনেটে প্রকাশ করে দিতে পারে। সংস্থাটি মেটা এবং চশমা প্রস্তুতকারক এসিলাইর-লুকসোটিকা সহ বেশ কিছু খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে ফ্রাঙ্কফুট-ভিত্তিক ডিজিটাল অপরাধ তদন্ত ইউনিটে অভিযোগ জানিয়েছে।
অভিযোগের মূল ভিত্তি হলো ফেডারেল ডিজিটাল ডেটা সুরক্ষা আইন, যা মানুষের অজান্তে ভিডিও করার জন্য ডিজাইন করা যোগাযোগ সরঞ্জাম বিক্রি নিষিদ্ধ করে। যদিও ফেডারেল নেটওয়ার্ক এজেন্সি জানিয়েছে যে, রেকর্ডিং ফাংশনটি যদি দৃশ্যমান হয় তবে এগুলো নিষিদ্ধ নয়, তবুও এই প্রযুক্তিটি গোপন নজরদারির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।