ট্রাফিক লাইটের রঙের নির্বাচন কেবল নান্দনিকতা নয়, বরং মানব দৃষ্টিশক্তি ও প্রতিক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নির্ধারিত। লাল থামার সংকেত, হলুদ সতর্কতা, সবুজ অগ্রসর হওয়ার অনুমতি দেয়। এই রঙগুলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ১৯২০-এর দশকে গৃহীত হয়।

ট্রাফিক লাইটের রঙের নির্বাচন কেবল রঙের নান্দনিকতার ওপর নয়, বরং মানব দৃষ্টিশক্তি ও প্রতিক্রিয়ার বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নির্ধারিত। লাল রঙ দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুত সনাক্ত হয় এবং সতর্কতা সংকেত দেয়, তাই এটি থামার নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার হয়।

হলুদ রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য মাঝারি, যা গাড়ি চালকদের সতর্ক করে যে তারা থামতে হবে বা চালিয়ে যেতে পারবে, আর সবুজ রঙ দ্রুত দৃষ্টিগোচর হয় এবং অগ্রসর হওয়ার অনুমতি দেয়। এই রঙগুলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ১৯২০-এর দশকে যুক্তরাজ্যের রেলওয়ে সিগন্যাল থেকে গ্রহণ করা হয় এবং পরে সড়ক ট্রাফিক সিস্টেমে প্রয়োগ করা হয়।