২০২৬ সালের ভারতীয় মোনসুন এল-নিনোর নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও দেশীয় মৌসুমি সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে টিকে আছে। জুলাইয়ের ভারী বৃষ্টি জুনের ঘাটতি কিছুটা পূরণ করলেও, আগস্টে এখনও ১১.৮% ঘাটতি রয়েছে।
এল-নিনোর পরও ভারতীয় মোনসুন তার নিজস্ব ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ মৌসুমি সিস্টেমের মাধ্যমে স্থিতিশীল রয়েছে। জুনে বৃষ্টিপাতের তীব্র হ্রাসের পরে জুলাইয়ের শেষের দিকে বর্ধিত বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিয়েছে, তবে মোট ঘাটতি ১১.৮% এ অব্যাহত রয়েছে।
বিপিএমডি অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৪২৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যেখানে গড়ে ৪৮১.৯ মিলিমিটার হওয়া দরকার। ফলে আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন, যাতে সামগ্রিক মৌসুমের লক্ষ্য পূরণ হয়। স্থানীয় নিম্নচাপ, পশ্চিমা বিকর্ষণ এবং কনভার্জেন্স জোনের মতো সিস্টেমগুলো গ্লোবাল প্রভাবকে সামঞ্জস্য করছে।
এই পরিস্থিতি কৃষক, নীতি-নির্ধারক এবং সাধারণ জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জলাশয়ের স্তর, ভূগর্ভস্থ জলের পুনঃসঞ্চয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সবই বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভরশীল। আগস্টের বৃষ্টিপাত যদি পর্যাপ্ত না হয়, তবে দেশজুড়ে শুষ্কতা এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে।