১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন একটিrefugee বা শরণার্থীর সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং তাদের অধিকার ও সুরক্ষার মানদণ্ড স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই চুক্তিটি গত সাত দশক ধরে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন রক্ষা করেছে।
১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশনের ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ছয়জন শরণার্থী তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও এই চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলার পর যুদ্ধ, সহিংসতা এবং নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের সাহায্য করার জন্য এই চুক্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। এর মূল নীতি হলো 'নন-রিফৌলমেন্ট', যা কোনো ব্যক্তিকে এমন স্থানে ফেরত পাঠানো নিষিদ্ধ করে যেখানে তার জীবন বা নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৪১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে অবস্থান করছেন। যদিও এই চুক্তিটি লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে, তবুও বর্তমানে কিছু দেশের কঠোর অভিবাসন নীতি এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে এই সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক শরণার্থী এখন কর্মসংস্থান এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির আরও বেশি সুযোগ দাবি করছেন।