एनजीও 7amleh এবং উট্রেখ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রিপোর্ট ফিলিস্তিনিদের ডিজিটাল অধিকার লঙ্ঘনের ৩,৫২০টি ঘটনা বিশ্লেষণ করেছে। এতে অভিযোগ করা হয়েছে যে মেটা পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনিদের অনলাইন উপস্থিতি মুছে ফেলছে।
জেরুজালেম ভিত্তিক সাংবাদিক ফাতেন এলওয়ান তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কথা বলার কারণে 'শ্যাডো-ব্যানিং'-এর শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তার ৩ লক্ষাধিক অনুসারী থাকা সত্ত্বেও, এখন তার পোস্টগুলি মাত্র কয়েকশ মানুষ দেখতে পাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, মেটা পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনিদের ডিজিটাল অস্তিত্ব মুছে দিচ্ছে, যাকে গবেষকরা 'প্ল্যাটফর্মিসাইড' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
৭amleh এবং উট্রেখ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, গত পাঁচ বছরে ফিলিস্তিনিদের ডিজিটাল অধিকার লঙ্ঘনের ৩,৫০০টিরও বেশি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেটা কেবল ভুলবশত নয়, বরং একটি কাঠামোগত পদ্ধতির মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের কণ্ঠস্বর দমন করছে। অনেক ক্ষেত্রে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে বা কন্টেন্ট মুছে ফেলা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেটার 'বিপজ্জনক সংস্থা এবং ব্যক্তি' (DOI) নীতিটি অতিরিক্তভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, যা সাংবাদিক এবং অ্যাক্টিভিস্টদের কণ্ঠরোধ করছে। এটি গাজার সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ অনেক সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেই তাদের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন।