আদালতের লাইভস্ট্রিম করা কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে 'উন্মুক্ত বিচারব্যবস্থার' পরিপন্থী বলে দাবি করেছেন দুই আন্দোলনকারী। তাদের মতে, এই নির্দেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে ন্যায়বিচারের অধিকারকে খর্ব করে।

অঞ্জলি ভরদ্বাজ এবং অমৃতা জোহর নামে দুই আন্দোলনকারী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন দাখিল করেছেন। তাদের দাবি, গত ২৪ জুলাই আদালত যে নির্দেশ দিয়ে লাইভস্ট্রিম করা কার্যক্রমের প্রচার ও প্রকাশনা নিষিদ্ধ করেছে, তা 'উন্মুক্ত বিচারব্যবস্থার' মূল নীতির বিরোধী। আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এবং চেরিল ডি'সুজার মাধ্যমে তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, বিচারিক প্রক্রিয়া জনসমক্ষে উন্মুক্ত থাকা উচিত যাতে তা জনস্বার্থের কাছে দায়বদ্ধ থাকে।

সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেল বা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের পূর্ব অনুমতি ছাড়া আদালতের অডিও-ভিডিও রেকর্ডিং কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আপলোড, পোস্ট বা মোনেটাইজ করা যাবে না। আদালতের যুক্তি ছিল, অনিয়ন্ত্রিত প্রচারের ফলে বিচারক ও আইনজীবীরা ট্রলিংয়ের শিকার হতে পারেন। তবে আন্দোলনকারীদের মতে, ভুল উপস্থাপনা রোধ করতে অনুমোদিত রেকর্ডিং প্রদান করা উচিত, সম্পূর্ণ প্রচার নিষিদ্ধ করা নয়।