২০১৩ সালের একটি ধর্ষণ মামলায় তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ধর্ষণ মামলায় 'নিখুঁত ভুক্তভোগী' বা 'পারফেক্ট ভিকটিম' বলে কিছু হয় না এবং নারীরা বিভিন্ন উপায়ে মানসিক আঘাত বা ট্রমা মোকাবিলা করেন।
২০১৩ সালের একটি ধর্ষণ মামলায় তেহেলকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে দোষী সাব্যস্ত করেছে বম্বে হাইকোর্ট। আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে এবং নিম্ন আদালতের খালাস দেওয়ার রায়কে খারিজ করে দিয়েছে। শুনানির সময় আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ধর্ষণ মামলায় একজন ভুক্তভোগী নারীর আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট ছক বা 'নিখুঁত ভুক্তভোগী' (পারফেক্ট ভিকটিম)-এর ধারণাটি সম্পূর্ণ একটি মিথ।
হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে যে, প্রতিটি মানুষ এবং বিশেষ করে নারীরা ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে মানসিক ট্রমা বা আঘাতের মোকাবিলা করেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্বাভাবিক আচরণ করেছেন বা অবিলম্বে অভিযোগ করেননি, এই যুক্তিতে ধর্ষণের অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আদালত আরও বলেছে যে, নিম্ন আদালত শুনানির সময় ভুক্তভোগীকে হেনস্থা করার অনুমতি দিয়েছিল, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।