কেরালা হাইকোর্ট জানিয়েছে যে, সহ-ঋণগ্রহীতা হিসেবে অভিভাবকের ক্রেডিট স্কোর খারাপ হলে ব্যাংক শিক্ষা ঋণ দিতে অস্বীকার করতে পারে। তবে উপযুক্ত ক্রেডিট স্কোর সম্পন্ন অন্য কোনো সহ-ঋণগ্রহীতা থাকলে আবেদন বিবেচনা করা সম্ভব।

কেরালা হাইকোর্টের বিচারপতি এম.এ. আব্দুল হাকিমের একটি একক বেঞ্চ সম্প্রতি এই রায় প্রদান করেছেন। ছাত্রছাত্রীরা ব্যাংকের বিরুদ্ধে আবেদন করেছিলেন যে, তাঁদের অভিভাবকদের খারাপ ক্রেডিট স্কোরের কারণে ঋণ দেওয়া হচ্ছে না। ছাত্রছাত্রীদের দাবি ছিল, পড়াশোনা শেষে চাকরির মাধ্যমে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বিচার করা উচিত এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমটি বিবেচনা করা উচিত।

তবে আদালত ব্যাংকের যুক্তি গ্রহণ করেছে। আদালত জানিয়েছে, শিক্ষা ঋণ কোনো অধিকার নয় এবং ব্যাংকগুলি তাদের নিজস্ব নিয়ম ও নির্দেশিকা অনুযায়ী ঋণ প্রদান করতে পারে। ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ঋণ খেলাপি হলে ব্যাংকগুলিকে সম্পূর্ণ টাকা উদ্ধার করতে হয় এবং কেন্দ্রীয় গ্যারান্টি স্কিম কেবল খেলাপি ঋণের ৭৫% পর্যন্ত সুরক্ষা দেয়।

আদালত স্পষ্ট করেছে যে, সহ-ঋণগ্রহীতার ক্রেডিট স্কোর বিবেচনা করার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলিকে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে যদি অন্য কোনো যোগ্য সহ-ঋণগ্রহীতা থাকেন যার ক্রেডিট স্কোর ভালো, তবে ব্যাংক সেই আবেদনটি বিবেচনা করতে পারে।