একজন ১৬ বছর বয়সী কিশোরীর গর্ভপাত করা এবং তা কর্তৃপক্ষকে না জানানোর অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ করতে অস্বীকার করেছে দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছে, কেবল মৌখিক বয়ানের ওপর ভিত্তি করে রোগীর বয়স নির্ধারণ করা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়।

দিল্লি হাইকোর্ট একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি কার্যক্রমের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে, যার বিরুদ্ধে ১৬ বছর বয়সী একটি মেয়ের ছয় সপ্তাহের গর্ভপাত 'অবৈধভাবে' সম্পন্ন করা এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট না করার অভিযোগ রয়েছে। বিচারপতি পুরুষেন্দ্র কুমার কৌরাভ বুধবার তার আদেশে উল্লেখ করেন যে, গর্ভপাত করার সময় একজন চিকিৎসক কেবল রোগীর মৌখিক বয়ানের ওপর ভিত্তি করে তার বয়স নিশ্চিত করতে পারেন না।

আদালত জোর দিয়ে বলেছে যে, আইন অনুযায়ী বয়স অবশ্যই 'নিশ্চিত এবং নথিবদ্ধ' করতে হবে, কেবল কোনো যাচাই না করা মৌখিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তা গ্রহণ করা যাবে না। এমটিপি (MTP) আইন অনুযায়ী, একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক স্বাধীনভাবে গর্ভপাতের সম্মতি দিতে অক্ষম এবং অভিভাবকের লিখিত সম্মতি ছাড়া তার গর্ভপাত করা সম্ভব নয়।

মামলার তদন্তে দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তির সময় কোনো পরিচয়পত্র বা ঠিকানার প্রমাণ নেওয়া হয়নি। অভিযুক্ত চিকিৎসক কিশোরীর বয়স সম্পর্কে জানতেন এবং বিষয়টি পুলিশকে জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে প্রসিকিউশন দাবি করেছে। আদালত এই কারণে মামলার বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।