একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে যে মঙ্গল গ্রহের বিশাল ধূলিঝড়গুলো এর নিম্ন বায়ুমণ্ডলে বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরি করতে পারে। এটি কেবল সূর্যালোককে অবরুদ্ধ করে না, বরং ভবিষ্যৎ রোবোটিক এবং মানববাহী মহাকাশ অভিযানের জন্য মারাত্মক পরিবেশগত ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি তৈরি করে।
মঙ্গল গ্রহের ধূলিঝড় সৌরজগতের অন্যতম রহস্যময় প্রক্রিয়া। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অফ আলাবামা ইন হান্টসভিল (UAH) এবং নাসার মার্শাল স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের গবেষকরা প্রকাশ করেছেন যে, এই ধূলিঝড়গুলো মঙ্গলের নিম্ন বায়ুমণ্ডলে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র বা চার্জ তৈরি করতে পারে। গবেষকরা মঙ্গল বর্ষ ৩৪ (২০১৮ সালের মাঝামাঝি) এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।
গবেষণায় দেখা গেছে যে, ২০১৮ সালের সেই ভয়াবহ ধূলিঝড়টি কেবল নাসার 'অপরচুনিটি' রোভারের সোলার প্যানেলকে অকেজো করে তার অভিযানের সমাপ্তি ঘটায়নি, বরং বায়ুমণ্ডলে এমন একটি ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক পরিবেশ তৈরি করেছিল যা যেকোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ক্ষতি করতে পারে। বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলে ভবিষ্যৎ মানব অভিযানের জন্য এই ধূলিঝড়গুলোকে কেবল ধূলিকণা বা দৃশ্যমানতার বাধা হিসেবে নয়, বরং একটি সক্রিয় বৈদ্যুতিক পরিবেশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।