টোকিওয়ের ইয়াসুকুনি মন্দিরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রায় ২৫ লক্ষ জাপানি সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিকদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানানো হয়। তবে এখানে ১৪ জন যুদ্ধাপরাধীর সমাধি থাকায় এটি এশিয়ার দেশগুলোর কাছে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।

টোকিওয়ের ইয়াসুকুনি মন্দির জাপানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং শ্রদ্ধেয় স্থান, যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত প্রায় ২৫ লক্ষ জাপানি সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিকদের আত্মা স্মৃতির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে। ১৮৬৯ সালে সম্রাট মেইজির শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি মূলত যুদ্ধাহতদের সম্মান জানাতে তৈরি করা হয়েছিল।

তবে এই মন্দিরটি তীব্র বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কারণ এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৪ জন 'ক্লাস এ' যুদ্ধাপরাধীকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাপানি সরকারি কর্মকর্তাদের এই মন্দিরে সফর চীন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এই দেশগুলো মনে করে, জাপানি নেতাদের এই সফর তাদের ঔপনিবেশিক আমলের নৃশংসতার জন্য অনুশোচনার অভাবকে প্রকাশ করে।