খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল, ২০২৬ পাস হওয়ার ফলে খনিজ সম্পদের কর এবং রাজস্ব নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব নতুন করে শুরু হয়েছে। এই বিলটি রাজ্যগুলির খনিজ অধিকারের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ করার ক্ষমতাকে সীমিত করতে চাইছে।

সংসদের উভয় কক্ষে 'খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল, ২০২৬' পাস হওয়ার ফলে খনিজ সম্পদের কর এবং তা থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে পুরনো বিতর্ক আবার উস্কে উঠেছে। এই সংশোধনীগুলির মূল লক্ষ্য হলো খনিজ অধিকার এবং খনিজ সমৃদ্ধ জমির ওপর রাজ্যগুলির নির্দিষ্ট লেভি বা অতিরিক্ত কর আরোপ করার ক্ষমতা সীমিত করা।

ঝাড়খণ্ড ও তামিলনাড়ুর মতো খনিজ সমৃদ্ধ রাজ্যগুলি ইতিমধ্যেই এই ধরণের কর আরোপ শুরু করেছে। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এই বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের হুমকি দিয়েছেন, কারণ এতে রাজ্যের সম্ভাব্য রাজস্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্যদিকে, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশনের মতে, এটি ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করতে পারে।

কেন্দ্রের দাবি, রাজ্যগুলির অনিয়ন্ত্রিত কর আরোপের ফলে খনিজ সম্পদের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে, যা মুদ্রাস্ফীতি এবং পরিকাঠামো নির্মাণ খরচ বাড়িয়ে দেবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিলটি খনি শিল্পের জন্য আর্থিক নিশ্চয়তা আনবে, কিন্তু রাজ্যগুলির রাজস্বের ক্ষেত্রে বড়সড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।