কার্টুন থেকে সিনেমা বা থিয়েটার—যেখানে সরাসরি সমালোচনা করা কঠিন, সেখানে হাস্যরস কীভাবে ভিন্নমতের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। স্বাধীনতা দিবসের এই বিশেষ প্রতিবেদনে তাঁরা তাঁদের প্রিয় রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক কাজগুলি তুলে ধরেছেন।
সরাসরি সমালোচনা করতে না পারলে হাস্যরস প্রায়ই ভিন্নমতের শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে ওঠে। কার্টুন, সিনেমা, থিয়েটার কিংবা সাহিত্য—সবক্ষেত্রেই রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ব্যবস্থার ত্রুটি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলে। এই স্বাধীনতা দিবসে সাংস্কৃতিক জগতের পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব তাঁদের প্রিয় রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক কাজ এবং কেন সেগুলো আজও প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে আলোকপাত করেছেন।
নির্মাতা সাঈদ মির্জা তাঁর প্রিয় হিসেবে 'জানে ভি দো ইয়ারো' চলচ্চিত্রটিকে বেছে নিয়েছেন, যা দুর্নীতি ও অদক্ষতার বিরুদ্ধে এক অদ্ভুত ও শক্তিশালী বার্তা দেয়। অন্যদিকে, আইনজীবী ও সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ সংসদীয় ঐতিহ্যে হাস্যরসের গুরুত্ব এবং বিবিসি-র 'ইয়েস মিনিস্টার' সিরিজের কথা উল্লেখ করেছেন। সুমঙ্গলা দামোদরন কেরালার ঐতিহ্যবাহী 'চাকিয়ার কুতু' এবং আর. কে. লক্ষ্মণের কার্টুনের কথা বলেছেন, যা ক্ষমতার অপব্যবহারকে উপহাস করতে সক্ষম।
আমল আল্লানা বির্তল ব্রেখটের 'দ্য রেসিস্টিবল রাইজ অফ আর্তুরো ইউই' নাটকের মাধ্যমে হিটলারের উত্থানকে কীভাবে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তা বর্ণনা করেছেন। এই সব আলোচনা এটাই প্রমাণ করে যে, হাস্যরস গণতন্ত্রকে প্রাণবন্ত করে এবং ক্ষমতার দম্ভকে চূর্ণ করতে সাহায্য করে।