স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে সফলভাবে স্পাইডার-ম্যানের মূল সত্তাকে পুনরায় ফুটিয়ে তুলেছে, যেখানে নিউ ইয়র্ক সিটিতে অপরাধ দমন এবং তার ব্যক্তিগত সংগ্রামের মিশেল রয়েছে।

আগামী ৩১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে 'স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে'। পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন টম হল্যান্ডের স্পাইডার-ম্যান চরিত্রটিকে একটি নতুন এবং আরও সংযত মাত্রা দিয়েছেন। 'নো ওয়ে হোম'-এর ঘটনার পর পিটার পার্কার এখন সম্পূর্ণ একা, কারণ সারা বিশ্ব তাকে ভুলে গেছে। এই একাকীত্ব এবং তার নতুন শক্তিশালী ক্ষমতাগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সিনেমার মূল বিষয়।

সিনেমার অন্যতম বড় আকর্ষণ হলো নিউ ইয়র্ক সিটির প্রেক্ষাপট। পিটার এখন অপরাধ দমনে এতটাই মনোযোগী যে এনওয়াইপিডি-র কাছে তার বিশ্বস্ততা বেড়েছে। তবে নেড এবং এমজে-র সাথে দেখা হওয়ার পর তার জীবনে যে আবেগীয় অস্থিরতা তৈরি হয়, তা তার শারীরিক পরিবর্তনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যার ফলে তার নতুন কিছু ক্ষমতা প্রকাশ পায়। জেন্ডায়া এবং টম হল্যান্ডের রসায়ন আবারও দর্শককে মুগ্ধ করবে।

সিনেমার ভিলেন হিসেবে স্যাডি সিঙ্ক একটি রহস্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যিনি মূলত পুনর্জন্ম গ্রহণ করা MODOK। যদিও কিছু ক্ষেত্রে কাহিনী কিছুটা পরিচিত মনে হতে পারে, তবুও অ্যাকশন দৃশ্য এবং ক্যামেরার কাজ অত্যন্ত চমৎকার। মার্ভেল স্টুডিওর এই নতুন অধ্যায় স্পাইডার-ম্যানকে তার শিকড়ে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে।