বিশ্লেষকরা দাবি করছেন ইরান-ইউএস সংঘাতের ফলে হরমুজ স্ট্রেট বন্ধ হওয়ায় তেলের দাম বেড়েছে এবং প্রধান তেল কোম্পানিগুলো দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে শক্তিশালী মুনাফা জানাবে। এই পরিস্থিতি গ্লোবাল ভোক্তাদের উপর বাড়তি জ্বালানি দামের চাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ হরমুজ সমুদ্রপথে শিপিং বন্ধ করে দিয়েছে, যা পূর্বে বিশ্বজুড়ে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক পঞ্চমাংশ সরবরাহ করত। ফলস্বরূপ, ব্রেন্ট তেলের দাম মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ৭০ ডলারের নিচ থেকে ১০০ ডলারের উপরে উঠে ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে। এক্সন মোবিল এবং শেভ্রন শীঘ্রই তাদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক আয় ঘোষণা করবে, যেখানে উচ্চ তেল মূল্যের ফলে লাভের মার্জিন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

উচ্চ জ্বালানি মূল্যের কারণে গাড়ি চালক, বিমান যাত্রী এবং শিল্পখাতের ব্যয় বেড়েছে, আর অস্ট্রেলিয়া ও নেপাল, শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোতে জ্বালানি রেশনের সীমাবদ্ধতা আর সরকারি অফিস বন্ধের মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউরোপের বড় তেল কোম্পানিগুলোর প্রথম ত্রৈমাসিক মুনাফা ২২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।