বৈদেশিক সাহায্যের হ্রাস এবং ক্রমবর্ধমান জাতীয় ঋণের কারণে স্বাস্থ্যখাতে অর্থের টান পড়েছে। বর্তমানে লক্ষ্য হওয়া উচিত কীভাবে উপলব্ধ অর্থ আরও কার্যকরভাবে ব্যয় করা যায়।
বিশ্বব্যাপী নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর স্বাস্থ্য খাতে মাথাপিছু সরকারি ব্যয় ন্যূনতম মানদণ্ডের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। যদিও জিডিপি-র অনুপাতে স্বাস্থ্য ব্যয়ের ব্যবধান কিছুটা কমেছে, তবে মাথাপিছু ব্যয়ের ক্ষেত্রে এই বৈষম্য কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারীর পর থেকে স্বাস্থ্য খাতে বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ দ্রুত হ্রাস পেতে শুরু করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের কারণে দেশগুলোর বাজেট সংকুচিত হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো ঋণের সুদ মেটাতেই বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করছে, ফলে স্বাস্থ্য খাতের জন্য বরাদ্দ কমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে তিনটি পদক্ষেপ জরুরি: বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা, প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ বাড়ানো এবং প্রশাসনিক দক্ষতা ও সুশাসন নিশ্চিত করা।