গাজিয়াবাদের ৪০ বছর বয়সী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ হেমিকা আগরওয়ালের আত্মহত্যার ঘটনা চিকিৎসা মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনাটি মানসিক স্বাস্থ্য পেশাদারদের নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গাজিয়াবাদের ৪০ বছর বয়সী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ হেমিকা আগরওয়ালের আত্মহত্যার ঘটনা ভারতের চিকিৎসা মহলে শোকের ছায়া ফেলেছে। তার পরিবারের দাবি, ১৮ মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে তিনি বিষণ্নতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন। এই ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে: যারা অন্যের মানসিক রোগ নিরাময় করেন, তারা কেন নিজেদের জন্য সাহায্য চাইতে দ্বিধা করেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন রোগীদের ট্রমা, বিষণ্নতা এবং আত্মহত্যার প্রবণতা মোকাবিলা করতে গিয়ে এক বিশাল মানসিক চাপ বহন করেন। দীর্ঘকাল ধরে অন্যের দুঃখ ও যন্ত্রণা সহ্য করতে করতে তারা 'কম্প্যাশন ফ্যাটিগ' বা সহানুভূতির ক্লান্তিতে ভুগতে পারেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রচলিত ধারণা যে 'দুর্বলতা দেখানো মানেই অক্ষমতা', এই মানসিকতা অনেক সময় চিকিৎসকদের সাহায্য চাইতে বাধা দেয়।