সাম্প্রতিক বিমান দুর্ঘটনা এবং টার্বুলেন্সের খবর যাত্রীদের মধ্যে ভীতি বাড়িয়ে তুলেছে। তবে সঠিক শিক্ষা, মানসিক প্রস্তুতি এবং মনস্তাত্ত্বিক কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে এই ভয় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে আকস্মিক টার্বুলেন্স এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটির মতো ঘটনাগুলো বিশ্বজুড়ে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। যদিও পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিমান ভ্রমণ সড়কপথের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ, তবুও সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত প্রচার এই ভয়কে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এটি যাত্রী, ক্রু এবং এমনকি পাইলটদেরও মানসিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
মনস্তাত্ত্বিকদের মতে, মস্তিষ্কের অ্যামিগডালা অংশটি ভয়ের প্রতিক্রিয়া জানায়, যা অনেক সময় যুক্তিকে ছাপিয়ে যায়। বিশেষ করে মধ্যবয়সী যাত্রীরা, যারা পারিবারিক ও পেশাগত চাপে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে এই উদ্বেগ আরও বেশি হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া দুর্ঘটনার ভিডিওগুলো অনেক সময় বাস্তব ঝুঁকির চেয়েও বেশি আতঙ্ক ছড়ায়।
এই ভয় কাটিয়ে উঠতে বিমান নিরাপত্তা সম্পর্কে পড়াশোনা করা, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা এবং অতিরিক্ত আতঙ্কজনক সংবাদ দেখা থেকে বিরত থাকা জরুরি। অডিওবুক বা শান্ত সংগীতের মাধ্যমে মনকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে রাখা এবং প্রয়োজনে পেশাদার কাউন্সেলিং গ্রহণ করা কার্যকর হতে পারে।