পুনের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেল সায়েন্সে গবেষকরা আটটি আদিবাসী গোষ্ঠীর গাট মাইক্রোবায়োম বিশ্লেষণ করে ১৪টি অজানা ব্যাকটেরিয়া এবং প্রায় ২০০টি স্থানীয় স্ট্রেইন চিহ্নিত করেছেন। এই ফলাফল দেখায় যে খাবার, ভূগোল ও জীবনশৈলী গাটের স্বাস্থ্যকে গঠন করে এবং ভারতের মাইক্রোবায়োম মানচিত্রের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

পুনের ব্রিক‑ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেল সায়েন্স (NCCS) গবেষকরা ভারতের বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের গাট মাইক্রোবায়োমে ১৪টি পূর্বে অজানা ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি এবং প্রায় ২০০টি স্থানীয় মাইক্রোবিয়াল স্ট্রেইন আবিষ্কার করেছেন। এই গবেষণায় পশ্চিম উপকূলের ওয়ারলি, ডেক্কান প্লেটোর গন্ড ও মাডিয়া, উত্তরের রঙমেই নাগা, এবং ট্রান্স‑হিমালয়ান অঞ্চলের বোটো, বাল্টি, ব্রোক্পা, পুরিগ্পা অন্তর্ভুক্ত আটটি গোষ্ঠীর নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

সব গোষ্ঠীর মধ্যে সেগাটেলা, আগাথোব্যাক্টার এবং ফ্যাকালিব্যাক্টেরিয়াম প্রধান ব্যাকটেরিয়া গোষ্ঠী হিসেবে উপস্থিত ছিল, তবে ভারতীয় সেগাটেলা স্ট্রেইনগুলো ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ডেটাবেসে অপ্রচলিত জেনেটিক লাইনেজে পাওয়া গেছে। গবেষকরা জোর দিয়ে বলছেন যে পশ্চিমা রেফারেন্স ডেটার উপর ভিত্তি করে গাটের স্বাস্থ্যের বিচার করা ঠিক নয়; প্রতিটি জনসংখ্যার জন্য বিশেষ মাইক্রোবায়োম ডেটা প্রয়োজন।

ট্রান্স‑হিমালয়ান গোষ্ঠীগুলোর ঐতিহ্যবাহী খাবারে দুধ, ঘি, গম ও বার্লি সহ বিভিন্ন শাকসবজি ও ফল অন্তর্ভুক্ত, ফলে তাদের গাটে বিফিডোব্যাকটেরিয়ামের পরিমাণ বেশি এবং ল্যাকটোজ ও গ্যাল্যাকটোস ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় জিনের উপস্থিতি বেশি পাওয়া গেছে। এই ফলাফল প্রোবায়োটিকের ব্যবহার এবং ভারতীয় মাইক্রোবায়োম মানচিত্র তৈরির গুরুত্বকে তুলে ধরে।