ইরান ও তার বিরোধীদের মধ্যে চলা যুদ্ধের প্রভাব এখন কুয়েত-ইরাক সীমান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। আল-আবদালি ক্রসিংয়ে ড্রোন হামলার পর এখন এই অঞ্চলে ব্যাপক স্থলযুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
ইরান ও তার প্রতিপক্ষ দেশগুলোর মধ্যে চলা ২০২৬ সালের যুদ্ধ এখন পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলকে গ্রাস করছে। যা আগে কেবল বিমান ও মিসাইল হামলা হিসেবে সীমাবদ্ধ ছিল, তা এখন কুয়েত ও ইরাকের সীমান্তে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। আল-আবদালি সীমান্ত ক্রসিংয়ে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংঘর্ষ কেবল ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকায় দেশটিও এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। ইরাকের ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তা এবং সীমান্ত এলাকায় ড্রোন ও রকেট হামলার ফলে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে।
আকাশপথে হামলার পর এখন পরিস্থিতি স্থলযুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে। যদি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত অতিক্রম করে সরাসরি অভিযান চালায়, তবে এটি একটি বৃহৎ আঞ্চলিক যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। এর ফলে তেল সরবরাহ এবং বিশ্ব অর্থনীতিতেও মারাত্মক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।