মালয়েশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে একটি বিশাল নোঙর এলাকা নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ইরানি তেলের একটি প্রধান বাজার হিসেবে কাজ করছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি অবরোধ সত্ত্বেও এই অঞ্চলে তেলের গোপন লেনদেন অব্যাহত রয়েছে।
সম্প্রতি দেখা গেছে যে, ইরানি তেলবাহী জাহাজ 'হিউম্যানিটি' মালয়েশিয়ার পূর্ব আউটারে পোর্ট লিমিটস (EOPL) এলাকায় পৌঁছে তাদের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ সিস্টেম (AIS) বন্ধ করে দিয়েছে। সমুদ্র নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত মধ্যস্থতাকারীদের কাছে জাহাজ থেকে জাহাজে তেলের বোঝা স্থানান্তরের একটি কৌশল। এই তেলের সম্ভাব্য গন্তব্য চীন, যারা ঐতিহাসিকভাবে ইরানের অপরিশোধিত তেলের একটি বিশাল অংশ কিনে থাকে।
দক্ষিণ চীন সাগরের এই এলাকাটি কয়েক দশক ধরে ইরান, রাশিয়া এবং ভেনেজুয়েলার নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত তেলের একটি অনানুষ্ঠানিক বাজার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্যাটেলাইট তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চলে তেলের বাণিজ্য কমেনি। অনেক জাহাজ ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ থেকে জাহাজে তেল স্থানান্তর করছে যাতে তেলের উৎস লুকিয়ে রাখা যায়।