দিল্লি হাইকোর্ট একজন শিক্ষিকাকে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে যাকে ২০১৬ সালে প্রবীণকাল বা প্রবেশন চলাকালীন বরখাস্ত করা হয়েছিল। আদালত জানিয়েছে, অসদাচরণের অভিযোগ থাকলে তদন্ত ছাড়া কাউকে চাকরি থেকে সরানো যাবে না।

দিল্লি হাইকোর্ট সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে জানিয়েছে যে, কোনো কর্মীকে কেবল 'প্রবেশনকাল' বা শিক্ষানবিশ হিসেবে উল্লেখ করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া বা শৃঙ্খলা তদন্ত ছাড়াই বরখাস্ত করা সম্ভব নয়। আদালত একটি বেসরকারি স্কুলের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই রায় দিয়েছে, যারা ২০১৬ সালে একজন প্রাথমিক শিক্ষিকাকে অসদাচরণ এবং খারাপ পারফরম্যান্সের অভিযোগে বরখাস্ত করেছিল।

বিচারপতি সঞ্জীব নরুলা নির্দেশ দিয়েছেন যে, ওই শিক্ষিকাকে তাঁর চাকরির ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবং ৫০ শতাংশ বকেয়া বেতনসহ পুনর্বহাল করতে হবে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে, যদি বরখাস্তের কারণ অসদাচরণ হয়, তবে নিয়োগকর্তাকে অবশ্যই অভিযোগের একটি চার্জশিট দিতে হবে এবং শিক্ষিকাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছিল যে শিক্ষিকা তখনো প্রবেশন পিরিয়ডে ছিলেন, কিন্তু আদালত তা নাকচ করে দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, দিল্লি স্কুল এডুকেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, স্বীকৃত বেসরকারি স্কুলগুলোতে কোনো কর্মী বরখাস্ত করার আগে শিক্ষা পরিচালকের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।