বিচারকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে মামলা স্থানান্তর চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। দিল্লি হাইকোর্ট সেই অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার বলে গণ্য করে তাকে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা করেছে।

দিল্লি হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে যে, কোনো বিচারিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে করা উচিত এবং কেবল শুনানির সময় করা মৌখিক মন্তব্যের ভিত্তিতে বিচারকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনা যায় না। বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথঙ্কর একজন মামলাকারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে এই মন্তব্য করেন, যিনি তার বাণিজ্যিক মামলাটি অন্য একটি আদালতে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছিলেন।

মামলাকারী মোহাম্মদ আহমেদ দাবি করেছিলেন যে, ট্রায়াল কোর্টের বিচারক কিছু মৌখিক মন্তব্য করেছেন যা তার কাছে অন্যায্য বিচারের আশঙ্কা তৈরি করেছে। তবে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে, শুনানির সময় আদালত ও আইনজীবীদের মধ্যে কথোপকথন বা মৌখিক মন্তব্য কোনোভাবেই বিরোধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হতে পারে না। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ছাড়া এই ধরনের অভিযোগ করাকে আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার হিসেবে দেখা হয়েছে।

বিচারপতি শঙ্কর নির্দেশ দিয়েছেন যে, আবেদনকারীকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে দিল্লি হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা জমা দিতে হবে। আদালত আরও জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র কোনো বিচারকের প্রতি ব্যক্তিগত ধারণা বা মৌখিক মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে মামলা হস্তান্তর করা সম্ভব নয়।