কেরালার কুতানাড় অঞ্চলে বন্যার প্রকোপ বাড়তেই থোট্টাপল্লি স্পিলওয়ে এবং বর্জ্য অপসারণ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। মন্ত্রী ও সাংসদদের এলাকা পরিদর্শনের সময় বিক্ষোভকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন।
কেরালার কুতানাড় অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করার সাথে সাথে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে থোট্টাপল্লি স্পিলওয়ে দিয়ে নদী থেকে অতিরিক্ত জল বের করে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বিরোধীদের সাথে সরকারের সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। শনিবার আবগারি মন্ত্রী এম. লিজু এবং কৃষি মন্ত্রী টি. সিদ্দিক আলপ্পুঝার সাংসদ কে.সি. ভেনুগোপালের সাথে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। স্পিলওয়ের কাছে বর্জ্য পরিষ্কার করতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সড়কে আন্দোলন করেন।
যদিও স্পিলওয়ের ৪০টি গেটের মধ্যে ৩৯টি খোলা রয়েছে, তবুও সিপিআই(এম) এবং অন্যান্য সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন যে বালুচর এবং আবর্জনা অপসারণে বিলম্বের কারণে সমুদ্রে বন্যার জল নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, আলপ্পুঝার বিধায়ক জি. সুধাকরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন যে জল দ্রুত সমুদ্রে প্রবাহিত হচ্ছে। সরকারি প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, এই বন্যায় জেলার ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫৫.৬৪ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যার মধ্যে কৃষি ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বিভাগ উল্লেখযোগ্য।
বন্যার পাশাপাশি আলপ্পুঝা-চাঙ্গানাসেরি (এসি) রোডের অবস্থা নিয়েও নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে পুনর্নির্মাণ করা এই রাস্তাটি বর্ষার শুরুতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এসি খালের ব্লকেজই এই জলাবদ্ধতার মূল কারণ।