আমেরিকার ওয়াশিংটন ডিসিতে ChatGPT নির্মাতা OpenAI-এর অফিসে বিক্ষোভকারীদের প্রবেশের ফলে ১৩ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর দ্রুত বিস্তার এবং এর সম্ভাব্য ক্ষতিকারক প্রভাব নিয়ে আমেরিকা ও ইউরোপে তীব্র প্রতিবাদ দেখা দিচ্ছে।
আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ChatGPT নির্মাতা সংস্থা OpenAI-এর একটি লবিং অফিসে বিক্ষোভকারীরা ঢুকে পড়েন। এই ঘটনায় প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা চলার পর ১৩ জন ছাত্রকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই বিক্ষোভটি কেবল একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর অনিয়ন্ত্রিত অগ্রগতির বিরুদ্ধে একটি বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ।
বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি হলো, AI প্রযুক্তি যে গতিতে এগোচ্ছে, তার তুলনায় সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নিরাপত্তা ও নিয়মকানুন তৈরি করার গতি অত্যন্ত ধীর। এর ফলে কর্মসংস্থান হারানো, শিল্পীদের মেধা চুরির আশঙ্কা এবং বিশাল ডেটা সেন্টারের কারণে বিদ্যুৎ ও জলের অত্যধিক ব্যবহারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে শিল্প ও সৃজনশীল পেশাজীবীরা AI-এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, তাদের অনুমতি ও পারিশ্রমিক ছাড়াই তাদের লেখা বা আঁকা ছবি ব্যবহার করে AI মডেল প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এছাড়া, ব্রিটেনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রায় ৫৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন AI বড় ধরনের বেকারত্ব সৃষ্টি করতে পারে, যা সামাজিক অস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।