জুলাই মাসে জিএসটি সংগ্রহ ১৫.৪% বৃদ্ধি পেলেও, এটি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল। প্রকৃত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য মুদ্রাস্ফীতি বা আমদানির বদলে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি জরুরি।

জুলাই মাসে জিএসটি সংগ্রহ ২.১১ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৫.৪% বেশি। এই বৃদ্ধি ভারতীয় অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা নির্দেশ করলেও, এর ভেতরে কিছু অসঙ্গতি রয়েছে। আমদানির ওপর জিএসটি (IGST) ২৬.৯% বৃদ্ধি পেলেও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৪.৫%। টাকার অবমূল্যায়ন এবং বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম বৃদ্ধি আমদানির খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে, যা জিএসটি সংগ্রহের একটি বড় কারণ।

পরিসংখ্যান বলছে, জিএসটি বৃদ্ধির একটি বড় অংশ আসে আমদানিকৃত পণ্য থেকে, যা 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এছাড়া, জিএসটি বৃদ্ধির হার রাজ্যভেদে অত্যন্ত অসম। মাত্র ১৬টি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জাতীয় গড়ের উপরে প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। প্রকৃত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি তখনই সম্ভব হবে যখন জিএসটি বৃদ্ধি দেশীয় উৎপাদন এবং ব্যাপক ভোক্তা ব্যয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।