প্রশিক্ষণ চলাকালীন শারীরিক অক্ষমতার কারণে সামরিক বাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া ক্যাডেটদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছে। আদালত জানিয়েছে, 'প্রাক্তন সেনা' তকমা না দিলেও তাদের 'প্রাক্তন সামরিক কর্মী' হিসেবে কোটা দেওয়া সম্ভব কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি ভি নাগারথনা এবং আর মহাদেবনের একটি বেঞ্চ মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন শারীরিক অক্ষমতার কারণে সামরিক বাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া অফিসার ক্যাডেটদের কী কী সুবিধা প্রদান করা যেতে পারে তা বিবেচনা করা হবে। কেন্দ্র জানিয়েছে যে, এই ক্যাডেটদের 'প্রাক্তন সেনা' (ex-servicemen) হিসেবে অভিহিত করতে কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে।
বিচারপতি নাগারথনা মন্তব্য করেছেন যে, 'প্রাক্তন সেনা' শব্দটি ব্যবহার না করেও তাদের কী ধরনের সুবিধা দেওয়া যায় তা আদালত দেখবে। তিনি সরকারকে সাবহারওয়াল কমিটির সুপারিশগুলো পুনরায় বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন, যেখানে এই ক্যাডেটদের প্রাক্তন সেনা হিসেবে গণ্য করার এবং অক্ষমতা পেনশন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। আদালত আরও জানিয়েছে যে, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোও এই ক্যাডেটদের প্রাক্তন সামরিক কর্মী হিসেবে সংরক্ষণ সুবিধা দেওয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে।
গত বছর একটি সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৮৫ সাল থেকে এনডিএ-র মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫০০ জন ক্যাডেট প্রশিক্ষণের সময় বিভিন্ন শারীরিক অক্ষমতার কারণে অব্যাহতি পেয়েছেন। আদালত আগামী ৮ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি করবে।