যুক্তরাজ্যের একটি ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছে যে ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড মিলারকে তারصهিওনবাদ-বিরোধী মত প্রকাশের কারণে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এই রায়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে যে যুক্তরাজ্যেصهিওনবাদ-বিরোধী মত প্রকাশ একটি আইনিভাবে সুরক্ষিত বিশ্বাস।

ব্রিটিশ অধ্যাপক ডেভিড মিলারকে ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছিল বলে একটি নিয়োগ ট্রাইব্যুনাল রায় দিয়েছে। ট্রাইব্যুনালের মতে, মিলারصهিওনবাদ-বিরোধী মত প্রকাশ করেছিলেন, যা যুক্তরাজ্যের আইনে একটি সুরক্ষিত দার্শনিক বিশ্বাস হিসেবে গণ্য। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক তাকে বরখাস্ত করা এবং তার আপিল প্রত্যাখ্যান করা সরাসরি বৈষম্যমূলক ও বেআইনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ডেভিড মিলার আল জাজিরাকে জানিয়েছেন যে এই রায় ব্রিটেনের সেই সমস্ত মানুষের জন্য একটি বড় জয় যারাصهিওনবাদ-বিরোধী। তিনি উল্লেখ করেন যে, এখন থেকে যেকোনো নিয়োগকর্তার পক্ষে কেবলصهিওনবাদ-বিরোধী মত প্রকাশের কারণে কাউকে বরখাস্ত করা বা লক্ষ্যবস্তু করা অত্যন্ত কঠিন হবে। মিলার আগে কিছু ইহুদি ছাত্র গোষ্ঠীর সমালোচনা করেছিলেন, যা বিশ্ববিদ্যালয় এটিকে বৈষম্যমূলক বলে দাবি করেছিল, কিন্তু আদালত তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

এই রায়ের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ব্রিটিশ আইনেصهিওনবাদ-বিরোধী মত প্রকাশ এবং ইহুদি-বিদ্বেষ (anti-Semitism) এক নয়। ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই রায়ে হতাশা প্রকাশ করা হলেও তারা মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছে। মিলার আশা করছেন যে এই রায় অন্যান্য শিক্ষাবিদদের সত্য কথা বলতে এবংصهিওনবাদ সম্পর্কে সমালোচনামূলক মতামত প্রকাশ করতে উৎসাহিত করবে।