ভারতের ব্যাংকিং খাতে সুদের হার কমানোর ফলে ঋণের জোগান বাড়লেও, এটি উচ্চ ঝুঁকির পথ প্রশস্ত করতে পারে। প্রকৃত সমস্যা সুদের হার নয়, বরং ঋণগ্রহীতাদের যাচাই করার তথ্যের অভাব এবং এর উচ্চ খরচ।
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) সম্প্রতি সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে, যা মূলত মুদ্রাস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভারসাম্য বজায় রাখার একটি পদক্ষেপ। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, দীর্ঘসময় ধরে নিম্ন প্রকৃত সুদের হার ব্যাংকগুলোকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিতে প্ররোচিত করতে পারে, যা ভবিষ্যতে এনপিএ (NPA) সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ভারতের আর্থিক ব্যবস্থার আসল বাধা হলো যোগ্য ঋণগ্রহীতাদের খুঁজে বের করা এবং তাদের তদারকি করার উচ্চ খরচ। শুধুমাত্র সুদের হার কমিয়ে ঋণ সস্তা করার চেয়ে, তথ্যের ঘাটতি কমিয়ে ঋণের প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ করে তোলা বেশি জরুরি। এনপিসিআই (NPCI) এবং ইউএলআই (ULI)-এর মতো ডিজিটাল পরিকাঠামো এই তথ্যের অভাব দূর করতে এবং ঋণের খরচ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।