একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে যে ভারতে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রায় আটজন নারীর মধ্যে একজনের রোগটি শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার পর নির্ণয় করা হয়। এই দেরিতে সনাক্তকরণ চিকিৎসা এবং বেঁচে থাকার হারকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। নারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব এবং প্রাথমিক স্ক্রিনিংয়ের অনুপস্থিতিই এর প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতে স্তন ক্যান্সার সংক্রান্ত একটি নতুন গবেষণায় অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের প্রায় প্রতি আটজন নারীর মধ্যে একজনের স্তন ক্যান্সার এমন একটি পর্যায়ে সনাক্ত করা হচ্ছে, যখন রোগটি ইতিমধ্যেই শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে (মেটাস্ট্যাটিক পর্যায়)। প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি সনাক্ত না হওয়ার কারণে রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্তন ক্যান্সার নিয়ে সামাজিক ট্যাবু, নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের অভাব এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে অবহেলা করার কারণেই এই বিলম্ব ঘটছে। গ্রামীণ এবং আধা-শহুরে এলাকায় স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর অভাবও এই দেরিতে রোগ নির্ণয়ের পেছনে একটি বড় কারণ। প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার সনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব, কিন্তু দেরিতে সনাক্তকরণ চিকিৎসা প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত জটিল করে তোলে।